প্রহসন হল এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক। এর উদ্দেশ্য হল হাস্যরস ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের আড়ালে অতিরঞ্জিত, অসংযত ও অভাবনীয় অবস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে দর্শকদের বিনোদন প্রদান করা। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক বিষয়াদি, যেমন - অনৈতিকতা, অনাচার, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও রক্ষণশীলতা এবং প্রাত্যহিক জীবনের ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ চিত্রিত হয়ে থাকে। প্রহসনের প্রধান বৈশিষ্ট হল শারীরিক হাস্যরস, ইচ্ছাকৃত উদ্ভট বা অর্থহীন কার্যকলাপের ব্যবহার এবং বিশেষ রীতির চরিত্রের সংযোগ ও অভিনয়। এটি প্রায়ই একটি নির্দিষ্ট স্থানের পটভূমিতে হয়ে থাকে, যেখানে সকল ঘটনাবলি ঘটে। ফলে এর দৈর্ঘ্য সাধারণত স্বল্প হয়ে থাকে, যা এক থেকে দুই অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ। প্রহসন মূলত মঞ্চস্থকরণ বা চলচ্চিত্রায়নের জন্য লেখা হয়।
উৎপত্তি
প্রহসনের উৎপত্তি হয় মধ্যযুগীয় ধর্মীয় নাটকগুলির অভিনয়শিল্পীদের উদ্ভাবনার মধ্য দিয়ে। পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীতে নাটকের এই ধরনটি হাস্যরসের মধ্যবর্তী অনুষঙ্গ হিসেবে পরিবেশিত হত। সবচেয়ে প্রাচীন ও এখনো বিদ্যমান প্রহসন হল ল্য গার্সোঁ এ লাভোগ্ল (বালক ও অন্ধ লোক, ১২৬৬)। এছাড়া শুরুর দিকের অন্যান্য প্রহসনগুলি ধারণা করা হয় ১৪৫০ থেকে ১৫৫০ সালের মধ্যে রচিত। মধ্যযুগীয় অন্যতম প্রসিদ্ধ প্রহসন হল লা ফার্স দ্য মাইত্র পাতেলাঁ (মাস্টার পাতেলাঁর প্রহসন, আনু. ১৪৭০)।
উদাহরণ
ধ্রুপদী নিদর্শন
- কামাত্মক নাটক - বিদ্রূপাত্মক মদ্যপান, কর্কশ যৌনকামনা বিশিষ্ট আলাপচারিতা, দূরভিসন্ধিমূলক ছলনা, দৃশ্যমান শারীরিক কৌতুক ও সাধারণ আনন্দপ্রদানের মাধ্যম।
- ফ্লিয়াক্স নাটক - গ্রিক মূকাভিনয় ও অ্যাটিক নব্য হাস্যরসযুক্ত এক ধরনের পৌরাণিক বারলেস্ক।
- মান্যান্ডারের ডিস্কোলোস - মান্যান্ডারের লেখা একমাত্র রচনা, যা নতুন ধরনের হাস্যরসের যোগান দিয়েছিল।
- আতেলান প্রহসন - এক ধরনের তাৎক্ষণিক সৃষ্টি করা কৌতুকাভিনয়।
- প্লতাসের আউলুলারিয়া - একটি পাত্রকে ঘিরে আবর্তিত হাস্যরসাত্মক রচনা।
- কলহ - প্লতাস ও তেরেন্সের রচনা ব্যতীত প্রাপ্ত অজ্ঞাত লেখকের রচিত ধ্রুপদী নিদর্শন।
ইতালি
- দারিও ফো: মোর্তে আক্সিদেন্তালে দি উন আনার্চিকো, যা ইতালির ভারেসেতে ১৯৭০ সালের ৫ই ডিসেম্বর প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
চীন
- সু চুওদাই: দ্য ফিকশন ম্যাটেরিয়াল হোলসেলার (১৯২১-এর গল্প)
- চাং তিয়ানয়ি: দ্য বুলওয়ার্ক; দ্য পিডগিন ওয়ারিয়র (১৯৩৬-এর উপন্যাস); মিস্টার হুয়া ওয়েই (১৯৩৮-এর উপন্যাস)
- ইয়াং জিয়াং: ফোর্জিং দ্য ট্রুথ (১৯৪৪-এর মঞ্চনাটক)
- গড অব কুকারি (১৯৯৬-এর চলচ্চিত্র; পরিচালক - স্টিফেন চৌ)
- ডেভিলস অন দ্য ডোরস্টেপ (২০০০-এর চলচ্চিত্র; পরিচালক - জিং ওয়েন)
- কুংফু হাসল (২০০৪-এর চলচ্চিত্র; পরিচালক - স্টিফেন চৌ)
জাপান
জাপানের এক শতাব্দী পুরনো প্রহসনের ঐতিহ্য রয়েছে, যা কিওগেন নামে পরিচিত। এই নাটকগুলি দীর্ঘ ও গুরুগম্ভীর নোহ নাটকের মধ্যবর্তী সময়ে হাস্যরস প্রদানের জন্য পরিবেশিত হয়।
জার্মানি
- কার্ল লাউফস ও ভিলহেল্ম জাকোবি: পেনসন স্কোলার (১৮৯০)
- ফ্রানৎস আর্নল্ড ও আর্নস্ট বাখ: ভোশেনেন্ড ইম পারাডিয়েস (১৯২৮)
- মাইলস ট্রেডিনিক এবং উরসুলা লিন ও আডলফ ওপেল: ...উন্ড মোর্গেন ফ্লিয়েগেন ভির নাখ মায়ামি (১৯৮৭)
পাকিস্তান
- মঞ্চনাটক
উমর শরীফের নিম্নোক্ত মঞ্চনাটকগুলি বেশ জনপ্রিয়:
- বকরা কিসতোঁ পে
- বুড্ডা ঘর পে হ্যায়
- ইয়েস স্যার ঈদ, নো স্যার ঈদ
- টেলিভিশন
- আকবরি আসগরি (২০১১)
- আঁউন জারা (২০১৩)
- আজরের বরাত আসবে (২০০৯)
পোল্যান্ড
- আলেকসান্ডার ফ্রেড্রো: জেমস্তা (১৮৩৪)
- গাব্রিয়েলা জাপোল্স্কা: দ্য মোরালিটি অব মিসেস ডুল্স্কা (১৯০৬)
- স্লাভমির ম্রোৎসেক: তাঙ্গো (১৯৬৪); এমিগ্রাঞ্চি (১৯৭৪)
ফ্রান্স
পঞ্চদশ শতাব্দীতে বিনোদনের ধরন হিসেবে সং, কসরত, ব্যঙ্গচিত্র ও অশোভন আচরণকে বর্ণনা করতে ফ্রান্সে ফার্স (farce) শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয়। এই বিনোদনের মাধ্যমগুলিতে অভিনয়শিল্পীরা উপস্থিত বুদ্ধি ব্যবহার করে ভাঁড়ামি যোগ করতো, যা পরে লিখিত আকারেও প্রকাশিত হয়। শুরুর সময়ে অন্যতম ফরাসি প্রহসন হল লা ফার্স দ্য মাইত্র পাতেলাঁ (আনু. ১৪৭০)। ফরাসি প্রহসন পরবর্তী কালে দ্রুত ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়ে যায়, তার অন্যতম উদাহরণ হল ষোড়শ শতাব্দীতে জন হেউডের দুই অঙ্কের নাটক। মলিয়ের তার হাস্যরসাত্মক নাটকগুলিতে প্রহসনের উপাদান ব্যবহার করতেন।
- লা গার্সোঁ এ ভাগোল্গ (১৩শ শতাব্দী, প্রাচীনতম ফরাসি প্রহসন)
- লা ফার্স দ্য মাইত্র পিয়ের পাতলাঁ (আনু. ১৪৭০)
- কর্নেইল: দ্য লায়ার (১৬৪৪)
- মলিয়ের: তার্ত্যুফ (১৬৬৪); দ্য মাইজার (১৬৬৮)
- লাবিশ: লা কাগনোত (১৮৬৪)
- আলফ্রেড হেনেকুইন ও আলফ্রেড দেলাকুর: ল্য প্রসে ভোরাদোয়া (১৮৭৫)
- জর্জ ফেদো: ল্য দিন্দোঁ (১৮৯৬); আ ফ্লিয়া ইন হার ইয়ার (১৯০৭)
- অক্তাভ মিরবো: ফার্স এ মোরালিতে (১৯০৪)
- মার্ক কামোলেতি: বোয়িং বোয়িং (১৯৬০); পায়জামা পুর সিক্স (১৯৮৫)
- জঁ পোয়ারে: লা কেজ আও ফোল (১৯৭৩)
বাংলা
বাংলা ভাষায় প্রহসনের উদ্ভব হয় সংস্কৃত থেকে। উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা প্রহসন বিকশিত হতে শুরু করে। এই সময়ে সংস্কৃত প্রহসনের আদলে প্রহসন রচনা করেন রামনারায়ণ তর্করত্ন। পাশ্চাত্য ধারার প্রহসনের আদলে বাংলা ভাষায় সার্থক প্রহসন রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- রামনারায়ণ তর্করত্ন: কুলীনকুলসর্বস্ব (১৮৫৪); যেমন কর্ম তেমনি ফল (১৮৬৫); চক্ষুদান (১৮৬৯); উভয় সঙ্কট (১৮৭২)
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত: একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০); বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০)
- দীনবন্ধু মিত্র: বিয়ে পাগলা বুড়ো (১৮৬৬); সধবার একাদশী (১৮৬৬); জামাইবারিক (১৮৭২)
- অমৃতলাল বসু: চোরের উপর বাটপাড়ি (১৮৭৬); ডিস্মিস্ (১৮৮৩); চাটুজ্যে-বাড়ুজ্যে (১৮৮৪); বিবাহ বিভ্রাট (১৮৮৪); বাবু (১৮৯৩)
- গিরীশচন্দ্র ঘোষ: যামিনী চন্দ্রমাহীনা; গোপন চুম্বন (১৮৭৮); ভোটমঙ্গল (১৮৮২); বেল্লিক বাজার (১৮৮৬)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: গোড়ায় গলদ (১৮৯২); বৈকুণ্ঠের খাতা (১৮৯৭)
- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর: কিঞ্চিৎ জলযোগ (১৮৭২)
- মনোমোহন বসু: নাগাশ্রমের অভিনয় (১৮৭৪)
- রাজকৃষ্ণ রায়: ডাক্তার বাবু (১৮৯০)
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: বিরহ (১৮৯৭)
- ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ: ভূতের বেগার (১৯০৮)
- প্রমথনাথ বিশী: ভূতপূর্ব স্বামী
ব্রিটেন
ব্রিটেনে ষোড়শ শতাব্দীতে জন হেউডের দুই অঙ্কের নাটকে প্রহসনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উইলিয়াম শেকসপিয়রও তার হাস্যরসাত্মক নাটকগুলিতে প্রহসনের উপাদান ব্যবহার করতেন। ১৮০০ সালের দিকে সব ছোট নাটককে প্রহসন বলা হত, এবং তা মূল নাটকের মধ্যবর্তী সময়ে মঞ্চস্থ হত। উনবিংশ শতাব্দীতে এইসব প্রহসনের নামকরণ না করার কারণে এই প্রহসনগুলির মূল রূপ বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- জিওফ্রে চসার: দ্য ক্যান্টারবেরি টেলস (১৪শ শতাব্দী)
- উইলিয়াম শেকসপিয়র: দ্য কমেডি অফ এররস (আনু. ১৫৯২)
- আফ্রা বেন: দ্য রোভার (১৬৭৭)
- হেনরি ফিল্ডিং: দ্য অথর্স ফার্স (১৭৩০)
- আর্থার মার্ফি: দ্য সিটিজেন (১৭৬১)
- স্যামুয়েল ফুট: দ্য লায়ার (১৭৬২)
- এলিজাবেথ ইঞ্চবল্ড: অ্যাপিয়ারেন্স ইজ অ্যাগেইন্সট দেম (১৭৮৫); দ্য ওয়েডিং ডে (১৭৯৪)
- জন ম্যাডিসন মর্টন: বক্স অ্যান্ড কক্স (১৮৪৭)
- চার্লস ডিকেন্স: দ্য ল্যাম্পলাইটার (১৮৭৯)
- আর্থার উইং পিনেরো: দ্য ম্যাজিস্ট্রেট (১৮৮৫)
- ব্র্যান্ডন টমাস: চার্লিস আন্ট (১৮৯২)
- জে. এম. ব্যারি: ওয়াকার, লন্ডন (১৮৯২)
- অস্কার ওয়াইল্ড: দি ইমপোর্টেন্স অব বিয়িং আর্নেস্ট (১৮৯৫)
- বেন ট্র্যাভার্স: থার্ক (১৯২৭)
- নোয়েল কাওয়ার্ড: হে ফিভার (১৯২৫); প্রেজেন্ট লাফটার (১৯৩৯); ব্লিদ স্পিরিট (১৯৪১)
- থর্নটন ওয়াইল্ডার: দ্য ম্যাচমেকার (১৯৫৪)
- ফিলিপ কিং: সি হাউ দে রান (১৯৪৫); বিগ ব্যাড মাউস (১৯৫৭); পুলস প্যারাডাইস (১৯৬১)
- পিটার শ্যাফার: ব্ল্যাক কমেডি (১৯৬৫)
- জো ওর্টন: লুট (১৯৬৭); হোয়াট দ্য বাটলার স (১৯৬৯)
- মিকেল পার্টউই: ডোন্ট জাস্ট লাই দেয়ার, সে সামথিং! (১৯৭১)
- অ্যান্টনি ম্যারিয়ট ও অ্যালিস্টেয়ার ফুট: নো সেক্স প্লিজ, উই আর ব্রিটিশ (১৯৭৫)
- জন ক্লিজ ও কনি বুথ: ফল্টি টাওয়ার্স (১৯৭৫)
- জন চ্যাপম্যান ও অ্যান্টনি ম্যারিয়ট: শাট ইওর আইজ অ্যান্ড থিঙ্ক অব ইংল্যান্ড (১৯৭৭)
- অ্যালান অয়কবোর্ন: টেকিং স্টেপস (১৯৭৯); আ স্মল ফ্যামিলি বিজনেস (১৯৮৭)
- টম স্টপার্ড: অন দ্য র্যাজল (১৯৮১)
- ডেরেক বেনফিল্ড: টাচ অ্যান্ড গো (১৯৮২)
- মাইকেল ফ্রেইন: নয়েজ অফ (১৯৮২)
- নাইজেল উইলিয়ামস: ডব্লিউ.সি.পি.সি. (১৯৮২)
- ডেভিড ক্রফট ও জেরেমি লয়েড: আর ইউ বিয়িং সার্ভড? (১৯৭২-১৯৮৫); 'অ্যালো 'অ্যালো! (১৯৮২-১৯৯২)
- কেন ফ্রিডম্যান: ক্ল্যাপট্র্যাপ (১৯৮৩)
- অ্যান্ড্রু নরিস ও রিচার্ড ফেগেন: চান্স ইন আ মিলিয়ন (১৯৮৪)
- মাইলস ট্রেডিনিক: লাফ? আই নিয়ারলি ওয়েন্ট টু মায়ামি! (১৯৮৬); ইট্স নাউ অর নেভার! (১৯৯১)
- টম কেম্পিন্স্কি: সেক্স প্লিজ, উই আর ইটালিয়ান! (১৯৯১)
- রে কুনি: ফানি মানি (১৯৯৪)
- সিমন পেগ ও জেসিকা হাইন্স: স্পেসড (১৯৯৯-২০০১)
- স্টিভেন মোফাট: কাপলিং (২০০১)
- রিচার্ড বিন: ওয়ান ম্যান, টু গুভনরস (২০১১)
- মাইলস ট্রেডিনিক: আপ পম্পেই! (২০১১)
- হেনরি লুইস, জোনাথন সেয়ার ও হেনরি শিল্ডস: দ্য প্লে দ্যাট গোজ রং (২০১২)
ভারত
- মঞ্চনাটক
ভারতীয় প্রহসনে অশ্লীল উক্তি ও অশ্লীল বিনোদনের প্রাধান্য ছিল এবং নিম্ন শ্রেণির মানুষদের সন্তুষ্ট করার প্রচেষ্টা থাকত। বিদেসিয়া নাটক যেমন লোকনাটকে এই ধরনের প্রহসনের লক্ষ্য করা যেত। কাশী কে ভাঁড় ও শাহপুর কে নক্কাল ভারতীয় প্রহসনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা কেবল অঙ্গভঙ্গিই ও ভাষাগত বিনোদনই নয় বরং যথোপযুক্ত অনুকরণের মধ্যে দিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি করে। মারাঠি ও গুজরাতি ভাষার মঞ্চনাটকে প্রহসন খুবই জনপ্রিয়। ভারতীয় কয়েকটি প্রহসন হল:
- জোপি গেলেলা জাগ জালা (১৯৫৮)
- দিনুচ্যা সাসুবাই রাধাবাই (১৯৬০)
- পালা পালা কোন পুড়ে পালে তো
- ঘোলাত ঘোল
- বেচারা মারা গয়া (২০১৫), দারিও ফো'র মোর্তে আক্সিদেন্তালে দি উন আনার্চিকো ভারতীয় উপযোগকরণ।
- টেলিভিশন
- ইধার উধার (১৯৮৫-১৯৮৮)
- দেখ ভাই দেখ (১৯৯৩-১৯৯৪)
- খিচড়ি (২০০২-২০০৪)
- ইনস্ট্যান্ট খিচড়ি (২০০৪-২০০৬)
- সরাভাই ভার্সাস সরাভাই (২০০৪-২০০৬)
- কারিনা কারিনা (২০০৪-২০০৫)
- এফ.আই.আর. (২০০৬-২০১৫)
- তারক মেহতা কা উল্টা চশমা (২০০৮-বর্তমান)
- সাজন রে জুট মাত বলো (২০০৯-২০১২)
- গোলমাল হ্যায় ভাই সব গোলমাল হ্যায় (২০১২)
- কমেডি নাইটস উইথ কপিল (২০১৩-২০১৬)
- দ্য কপিল শর্মা শো (২০১৬-বর্তমান)
- চলচ্চিত্র
- গোলমাল (১৯৭৯)
- আঙ্গুর (১৯৮২)
- জানে ভি দো ইয়ারোঁ (১৯৮৬)
- চালবাজ (১৯৮৯)
- আন্দাজ আপনা আপনা (১৯৯৪)
- চাচী ৪২০ (১৯৯৭)
- বাদশাহ (১৯৯৯)
- হাসিনা মান যায়েগি (২০০০)
- হধ কর দি আপনে (২০০০)
- হেরা ফেরি (২০০০)
- আওয়ারা পাগল দিওয়ানা (২০০৩)
- হাঙ্গামা (২০০৩)
- হালচাল (২০০৪)
- ক্যায়া কুল হ্যায় হাম (২০০৫)
- নো এন্ট্রি (২০০৫)
- ম্যায়নে প্যায়ার কিঁউ কিয়া? (২০০৫)
- মালামাল উয়িকলি (২০০৬)
- চুপ চুপ কে (২০০৬)
- ওয়েলকাম (২০০৭)
- ধামাল (২০০৭)
- দে দনা দন (২০০৯)
- আজব প্রেম কী গজব কাহানি (২০০৯)
- হাউজফুল (২০১০)
- তেরে বিন লাদেন (২০১০)
- হাউজফুল ২ (২০১২)
- বোল বচ্চন (২০১২)
- তনু ওয়েডস মনু: রিটার্নস (২০১৫)
- বরেলি কি বর্ফী (২০১৭)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- মঞ্চনাটক
- মার্ক টোয়েইন: ইজ হি ডেড? (১৮৯৮)
- অরসন ওয়েলস: হর্স ইটস হ্যাট (১৯৩৬)
- অ্যালেন বোরেট্জ ও জন মারি: রুম সার্ভিস (১৯৩৭)
- জোসেফ কেসেলরিং: আর্সেনিক অ্যান্ড ওল্ড লেস (১৯৪১)
- ল্যারি গেলবার্ট ও বার্ট শেভলাভ: আ ফানি থিং হ্যাপেন্ড অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফোরাম (১৯৬২), সঙ্গীত ও গীত লিখেছেন স্টিভেন সোন্ডহাইম
- অ্যাব বারোস: ক্যাকটাস ফ্লাওয়ার (১৯৬৫)
- টেরেন্স ম্যাকন্যালি: দ্য রিট্জ (১৯৭৫)
- মাইকেল ফ্রেয়ন: নয়েজেস অফ (১৯৮২)
- ক্রিস্টোফার ডুরাং: বিয়ন্ড থেরাপি (১৯৮১)
- ল্যারি শু: দ্য নার্ড (১৯৮১); দ্য ফরেনার (১৯৮৩)
- নিল সিমন: রুমার্স (১৯৮৮)
- কেন লুডভিগ: লেন্ড মি আ ট্যানর (১৯৮৯); লিডিং লেডিজ (২০০৪)
- মার্ক ক্যামোলেত্তি: ডোন্ট ড্রেস ফর ডিনার (১৯৯১)
- ডেভিড ম্যামেট: রোম্যান্স (২০০৫)
- ট্রে পার্কার, রবার্ট লোপেজ, ও ম্যাট স্টোন: দ্য বুক অব মর্মন (২০১১)
- জিয়ান্নিয়া ব্রাশি: ইউনাইটেড স্টেটস অব ব্যানানা (২০১৫)
- চলচ্চিত্র
- মাঙ্কি বিজনেস (১৯৩১)
- দ্য ব্যাংক ডিক (১৯৪০)
- নেভার গিভ আ সাকার অ্যান ইভেন ব্রেক (১৯৪১)
- মিলিয়ন ডলার বেবি (১৯৪১)
- আনফেইথফুলি ইওরস (১৯৪৮)
- দ্য মেটিং সিজন (১৯৫১)
- দ্য শ্যাগি ডগ (১৯৫৯)
- ইট্স আ ম্যাড, ম্যাড, ম্যাড, ম্যাড ওয়ার্ল্ড (১৯৬৩)
- দ্য পিংক প্যান্থার (১৯৬৩)
- গুড নেইবার স্যাম (১৯৬৪)
- সেক্স অ্যান্ড দ্য সিঙ্গেল গার্ল (১৯৬৪)
- দ্য লাভ বাগ (১৯৬৮)
- নাউ ইউ সি হিম, নাউ ইউ ডোন্ট (১৯৭২)
- হোয়াট্স আপ, ডক? (১৯৭২)
- হার্বি রাইডস অ্যাগেইন (১৯৭৪)
- নো ডেপোজিট, নো রিটার্ন (১৯৭৬)
- ফ্রিকি ফ্রাইডে (১৯৭৬)
- এয়ারপ্লেন! (১৯৮০)
- ক্লু (১৯৮৫)
- মিলিয়ন ডলার মিস্ট্রি (১৯৮৭)
- অস্কার (১৯৯১)
- নয়েজেস অফ (১৯৯২)
- রেডিওল্যান্ড মার্ডারস (১৯৯৪)
- ডেসটিনি টার্নস অন দ্য রেডিং (১৯৯৫)
- ১০১ ডালম্যাশিয়ান্স (১৯৯৬)
- ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েস্ট (১৯৯৯)
- ওয়েট হট আমেরিকান সামার (২০০১)
- র্যাট রেস (২০০১)
- হ্যারল্ড অ্যান্ড কুমার গো টু হোয়াইট ক্যাসল (২০০৪)
- হট রড (২০০৭)
- বার্ন আফটার রিডিং (২০০৮)
- হট টাব টাইম মেশিন (২০১০)
- টেলিভিশন
- হ্যাপি ডেজ (১৯৭৪-১৯৮৪)
- থ্রিস কোম্পানি (১৯৭৭-১৯৮৪)
- টু গাইজ অ্যান্ড আ গার্ল (১৯৯৮-২০০১)
- থার্টি রক (২০০৬-২০১৩)
রাশিয়া
- নিকলাই গোগল: দ্য গভর্নমেন্ট ইনস্পেক্টর (১৮৩৬)
- আন্তন চেখভ: দ্য বিয়ার (১৮৮৮), আ ম্যারিজ প্রপোজাল (১৮৯০) ও দ্য চেরি অরচার্ড (১৯০৪)
- মিখাইল বুলগাকভ: দ্য মাস্টার অ্যান্ড মার্গারিটা (১৯৬৭)
স্পেন
- মিগেল দে থের্ভান্তেস: ডন কিহোতে
- মোর্তাদেলো ই ফিলেমো - স্পেনীয় কমিক ধারাবাহিক।
বহিঃসংযোগ
- আইএমডিবিতে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রহসনের তালিকা
- অলমুভিতে প্রহসন চলচ্চিত্রের তালিকা
