factograf
BN

সংক্রামক রোগের একটি গোষ্ঠী

টাইফাস জ্বর

টাইফাস জ্বর
All data from the card 1
বিশেষত্ব
সংক্রামক রোগ

টাইফাস (ইংরেজি: Typhus) বা টাইফাস জ্বর রিকেটশিয়া প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়া দিয়ে হয়। এই নামের উৎপত্তি হয়েছে গ্রিক শব্দ typhus (τύφος) থেকে যার অর্থ ধোঁয়াটে বা অস্পষ্ট যার দ্বারা এই রোগে আক্রান্তদের মনের অবস্থা বুঝায়। এই জ্বরের জন্য দায়ী জীবাণু রিকেটশিয়া কে বলা হয় অবলিগেট ইন্ট্রাসেলুলার ব্যাক্টেরিয়া অর্থাৎ এরা জীবন্ত কোষের বাইরে এরা বেশিক্ষণ বাঁচে না। এই জীবাণু মানব শরীরে ছড়ায় মূলত বাহ্যিক পরজীবী যেমন উকুন, মক্ষিকা (flea), আঁটুলি (tick) ইত্যাদির মাধ্যমে। টাইফাস ও টাইফয়েড দুটি আলাদা ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা ঘটিত ভিন্নধর্মী রোগ।

লক্ষণ

জীবাণু সংক্রমণ হওয়ার প্রায় ১-২ সপ্তাহ পর ঠাণ্ডা ও কাঁপুনিসহ আকস্মিক জ্বর, মাথাব্যথা ও অন্যান্য ফ্লু এর মত উপসর্গ হয়।

লক্ষণ শুরুর ৫ থেকে ৭ দিন পর দেহে ফুসকুড়ি দেখা দেয় যা হাত ও পায়ে ছড়ায় তবে মুখমণ্ডল, হাত ও পায়ের তালুতে ফুসকুড়ি হয় না। মেনিনগোএনসেফালাইটিস এর লক্ষণসমূহ দেখা দিতে পারে।

কারণ

টাইফাসের বেশ কতকটা প্রকার রয়েছে। এইগুলো হলো:

রোগ ব্যাক্টেরিয়া বাহক দ্রষ্টব্য
এপিডেমিক টাইফাস Rickettsia prowazekii উকুন টাইফাস বলতে মূলত এই প্রকারকেই বুঝানো হয়।
মুরিন টাইফাস বা "এন্ডেমিক টাইফাস" Rickettsia typhi ইঁদুরের মক্ষিকা
স্ক্রাব টাইফাস Orientia tsutsugamushi হারভেস্ট মাইট এটি উপরের দুটি থেকে একটু আলাদা, টাইফাস নাম থাকলেও বর্তমানে এটাকে টাইফাস গ্রুপে না রেখে স্পটেড ফিভার গ্রুপে রাখা হয়।
কুইন্সল্যান্ড টিক টাইফাস অথবা "অস্ট্রেলিয়ান টিক টাইফাস") Rickettsia australis আঁটুলি

তথ্যসূত্র

টেমপ্লেট:Gram-negative proteobacterial diseases

Read next

In 83 languages

Text from Wikipedia, CC BY-SA 4.0 · Source article